Tuesday, March 31, 2020

মুরগি ৪৪ টাকা, ডিম ৫ আর বাচ্চা শূন্য


মুরগিমুরগি

কিছুদিন আগেও খামারের একেকটা ডিম ৮ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। তা অর্ধেক নেমে একেকটা ৪ থেকে ৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ও নেমেছে ধস। এখন তা পানির দরে—কেজিপ্রতি ৪৪ থেকে ৫৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। করোনার প্রভাবে ক্রেতা কমে যাওয়ায় ডিম আর মুরগির ব্যবসায় এমন মন্দা লেগেছ বলে জানিয়েছেন খামারিরা।




মুরগিমুরগিকিছুদিন আগেও খামারের একেকটা ডিম ৮ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। তা অর্ধেক নেমে একেকটা ৪ থেকে ৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ও নেমেছে ধস। এখন তা পানির দরে—কেজিপ্রতি ৪৪ থেকে ৫৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। করোনার প্রভাবে ক্রেতা কমে যাওয়ায় ডিম আর মুরগির ব্যবসায় এমন মন্দা লেগেছ বলে জানিয়েছেন খামারিরা।
গাজীপুরের শ্রীপুরের খামারি খন্দকার মো. মহসিন বলেন, তাঁর খামারে উৎপাদিত ডিম প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে সোয়া ৪ থেকে সোয়া ৫ টাকা দরে।
টাঙ্গাইলের সখীপুরের কালিদাস গ্রামের তরুণ খামারি সাইফুল ইসলাম এক সপ্তাহ ধরে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ৪৪ থেকে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, ‘মুরগি কেউ নিতেই চায় না। যার কাছ থেকে যা পাই, সেই দামে বিক্রি করি।’
দেশের করোনাভাইরাস ঠেকাতে সাধারণ ছুটি শুরু হওয়ার পর যেসব অভ্যন্তরীণ বাজারমুখী খাত ব্যাপক ক্ষতির মুখে, এর মধ্যে পোলট্রি খামারিরা অন্যতম। খামারে মুরগি ডিম পাড়ছে, বিক্রি হচ্ছে না। আলাদা করে রাখা ব্রয়লার মুরগির ওজন বাড়ছে, কিন্তু কেনার লোক কম।
সব মিলিয়ে বড় সংকটে পড়েছেন খামার মালিকেরা। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি খামারি। সাইফুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহে তার ৬ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।
খামারের মালিকদের দাবি, একটি ডিম উৎপাদনে খরচ ৬ টাকার মতো। এখন ব্রয়লার মুরগির কেজিপ্রতি উৎপাদন খরচ ৯০ টাকার কিছু বেশি। মালিকেরা বলছেন, দাম যখন বেড়ে যায়, তখন চাইলেই উৎপাদন বাড়িয়ে বাড়তি টাকা আয় করা যায় না। আবার যখন কমে যায়, তখন চাইলেও তাৎক্ষণিক উৎপাদন কমিয়ে ফেলা যায় না। ফলে লোকসান অবধারিত।
ঢাকার মানুষ কি খুব কম দামে ডিম-মুরগি কিনতে পারছে? গতকাল সোমবার ও আজ মঙ্গলবার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির বাদামি ডিম প্রতি ডজন (১২টি) ৮৫ থেকে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অবশ্য পাড়া-মহল্লার কোনো কোনো দোকানে দাম ডজনপ্রতি ১০০ থেকে ১০৫ টাকা। আর ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১২৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।
ব্রয়লার মুরগির দাম বেশ কয়েক মাস ধরেই কম। ছুটি শুরুর আগে মানুষ যখন আতঙ্কে কেনাকাটা করছিল, তখন ডিমের ডজনপ্রতি দাম ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় ওঠে।
বাংলাদেশ পোলট্রি খামার জাতীয় পরিষদ প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুরগি ও ডিমের দাম সংগ্রহ করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। গতকালের প্রতিবেদনে দেখা যায়, খামার পর্যায়ে সাদা ডিমের প্রতিটির দাম খামারিরা ৪ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৬০ পয়সা পর্যন্ত পেয়েছেন। আর বাদামি ডিমের দাম মিলেছে ৫ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত। একইভাবে ব্রয়লার মুরগি বিভিন্ন জেলায় ৬০ টাকা, ৮০ টাকা ও ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।
খন্দকার মো. মহসিন পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক নেই। বাজারে চাহিদা নেই। চালকেরা গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামছেন না। সব মিলিয়ে একেক জায়গায় একেক দাম। খামারিরা ভালো দাম পাচ্ছে না। কিন্তু বাজারে ক্রেতারাও এর সুফল ততটা পাচ্ছে না।
মুরগির দাম কমে যাওয়ায় এক দিন বয়সী বাচ্চার চাহিদায় ধস নেমেছে। টাঙ্গাইলের খামারি সাইফুল ইসলাম বলেন, হ্যাচারির মালিকেরা প্রতিটি ২ টাকা দরে বাচ্চা দিতে চেয়েছে। তারপরও কেনার মতো খামারি পাওয়া যাচ্ছে না। খামারিরা যদি এখন খামার বন্ধ করে দেন, তাহলে কিছুদিন পরেই আবার মুরগি ও ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
‘বাচ্চা মেরে ফেলা হচ্ছে’
বাংলাদেশ পোলট্রি কো-অর্ডিনেশন কমিটির (বিপিআইসিসি) সভাপতি মশিউর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলো, এক দিন বয়সী মুরগির বাচ্চার দাম কত? তিনি উত্তর দিলেন, ‘শূন্য টাকা।’ প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বাচ্চা এখন মেরে পুঁতে ফেলা হচ্ছে। কারণ, এক টাকা দাম দিয়েও কেউ নিচ্ছে না।
দেশে ৭০ হাজার মতো ছোট-বড় খামার আছে উল্লেখ করে মশিউর রহমান আরও বলেন, খামারিরা বাচ্চা ওঠালে তাকে খাওয়াতে হবে। বিদ্যুৎ, শ্রমিক ও অন্যান্য খরচ রয়েছে। কিন্তু মাংসের দাম নেই। আর পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। ফলে বিনা মূল্যে বাচ্চা নিয়েও কেউ খামার চালু রাখতে চায় না।
মশিউর রহমান উল্লেখ করেন, ‘শুধু রপ্তানি খাতকে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল দেওয়া হলো। আর কৃষি খাতকে সব সময় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তবে সেটা মৌখিকভাবে। খামারিরা এ ধরনের দুর্যোগে কখনোই কিছু পায়নি।’ সূত্র: প্রথমআলো
Share:

ইতালিতে করোনায় মৃতদের ৮৫ ভাগ সত্তরোর্ধ্ব




ইতালির রোমে মাস্ক পড়ে ঘোরাফেরা করছেন পর্যটকেরা। এএফপি ফাইল ছবিইতালির রোমে মাস্ক পড়ে ঘোরাফেরা করছেন পর্যটকেরা। এএফপি ফাইল ছবিবাংলাদেশের মতো তরুণ জনসংখ্যার সংখ্যাধিক্য নেই, বয়স্কদের সংখ্যা অনেক বেশি। আর সে জন্যই করোনায় এত বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে ইতালিতে। পাশাপাশি দেশটির সামাজিক ব্যবস্থার কারণেও এটি ঘটছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

পরিসংখ্যানেও তেমনটা দেখা যাচ্ছে। দেশটির ন্যাশনাল হেলথ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, ইতালিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের ৮৫ দশমিক ৬ শতাংশের বয়স ৭০-এর বেশি। আর দেশটির ২৩ শতাংশ জনগোষ্ঠীর বয়স ৬৫-এর ওপরে। ফলে, জাপানের পর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের বসবাস এই ইতালিতে।

ইতালির রোমে মাস্ক পড়ে ঘোরাফেরা করছেন পর্যটকেরা। এএফপি ফাইল ছবিইতালির রোমে মাস্ক পড়ে ঘোরাফেরা করছেন পর্যটকেরা। এএফপি ফাইল ছবিবাংলাদেশের মতো তরুণ জনসংখ্যার সংখ্যাধিক্য নেই, বয়স্কদের সংখ্যা অনেক বেশি। আর সে জন্যই করোনায় এত বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে ইতালিতে। পাশাপাশি দেশটির সামাজিক ব্যবস্থার কারণেও এটি ঘটছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
পরিসংখ্যানেও তেমনটা দেখা যাচ্ছে। দেশটির ন্যাশনাল হেলথ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, ইতালিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের ৮৫ দশমিক ৬ শতাংশের বয়স ৭০-এর বেশি। আর দেশটির ২৩ শতাংশ জনগোষ্ঠীর বয়স ৬৫-এর ওপরে। ফলে, জাপানের পর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের বসবাস এই ইতালিতে।

ইতালির রোমে মাস্ক পড়ে ঘোরাফেরা করছেন পর্যটকেরা। এএফপি ফাইল ছবিইতালির রোমে মাস্ক পড়ে ঘোরাফেরা করছেন পর্যটকেরা। এএফপি ফাইল ছবিবাংলাদেশের মতো তরুণ জনসংখ্যার সংখ্যাধিক্য নেই, বয়স্কদের সংখ্যা অনেক বেশি। আর সে জন্যই করোনায় এত বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে ইতালিতে। পাশাপাশি দেশটির সামাজিক ব্যবস্থার কারণেও এটি ঘটছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
পরিসংখ্যানেও তেমনটা দেখা যাচ্ছে। দেশটির ন্যাশনাল হেলথ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, ইতালিতে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের ৮৫ দশমিক ৬ শতাংশের বয়স ৭০-এর বেশি। আর দেশটির ২৩ শতাংশ জনগোষ্ঠীর বয়স ৬৫-এর ওপরে। ফলে, জাপানের পর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়স্ক মানুষের বসবাস এই ইতালিতে।
এই বয়স্ক মানুষেরা এমনিতেই নানা রোগে ভুগছিলেন। ফলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁরা আর এই রোগ প্রতিরোধ করতে পারেননি। ন্যাশনাল হেলথ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, মারা যাওয়া ৪৮ শতাংশ মানুষ আগে থেকেই নানা রোগে ভুগছিলেন।
অন্যদিকে ইতালির সামাজিক ব্যবস্থা ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো না হওয়ায় বুড়ো মানুষদের আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন ইতালির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিকসের কেন্দ্রীয় পরিচালক লরা সাব্বাদিনি। তিনি বলেন, ‘ইতালির বুড়ো মানুষদের সিংহভাগ আলাদা তাকলেও অনেকেই পরিবারের সঙ্গে থাকেন। নাতি-নাতনি ও তরুণ জনগোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁদের নিবিড় সংযোগ আছে।’ অনেকটা এশীয় অঞ্চলের মতো। যেহেতু ইতালিতে পরীক্ষা অত বেশি হয়নি এবং এই রোগের উপসর্গ দেখা যেতে অনেক সময়, ১৪ দিন, লেগে যায়, সেহেতু দেশটিতে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। আর বুড়োরাও সহজে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের মৃত্যুর হার তরুণদের চেয়ে অনেক বেশি।
লরা সাব্বাদিনি আরও মনে করেন, এই ধরনের ছোঁয়াচে রোগের সংক্রমণ যখন হয়, তখন বুড়োদের সঙ্গে তরুণদের এই সংযোগ হ্রাস করার বিকল্প নেই। এমন সময়ে বুড়ো মানুষদের বিচ্ছিন্ন করাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
এখন অবধি সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে ইতালিতে। দেশটিতে ৬১ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইতালিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ডক্টরস। এঁদের মধ্যে ৪০ জন কাজ করতেন লম্বার্ডিতে। আক্রান্ত ৮ হাজারেরও বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। মোট আক্রান্ত এখন এক লাখ পেরিয়ে গিয়েছে।
এরপরেই রয়েছে স্পেন। সেখানে করোনায় মৃত মানুষের সংখ্যা ৭ হাজার ৩৪০। তবে দৈনিক মৃত্যুর হার সামান্য কমেছে। ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৫৩৭ জনের। আক্রান্ত ৮৫ হাজারের ওপরে।
ইউরোপের অন্যান্য দেশে করোনায় মৃত্যু সব মিলিয়ে এখন ২৫ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে। নেদারল্যান্ডসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৩ জন মারা গেছেন। সেখানে মৃত মানুষের সংখ্যা ৮৬৪। information From Prothomalo
Share:

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ফলাফল মাত্র ৩০ দিনে কেস স্টাডি



অনলাইন ভিত্তিক বাণিজ্য এখন খুব লাভজনক। কারন মানুষ সারা দিনের মধ্যে কমপক্ষে ৩-৫ ঘন্টা ইন্টারনেটে সময় দেয়। এই সময়ের মধ্যে মানুষের কাছে আপনার তথ্য বা প্রোডাক্ট পৌঁছানোর একমাত্র উপায় হলো অনলাইন বিজনেস। এই অনলাইন বিজনেস করতে গেলে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বা এসইও কে অবজ্ঞা করার অবকাশ নেই।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন একটি বিশাল ও সময়সাপেক্ষ প্র্যাকটিস। হোয়াইট হ্যাট এসইও করে তার ফলাফল পেতে হলে আপনাকে নুন্যতম ৬০-৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে।
তাড়াহুড়া করে কোন কাজ হবেনা। সার্চ ইঞ্জিন কে যখন ভালোভাবে অপ্টিমাইজ করা হবে কেবল তখনি সার্চ রেজাল্টে আপনি আপনার পরিশ্রমের ফসল দেখতে পারবেন।
এর মাঝেও ব্যতিক্রম দেখা যায় কিছু ব্যপার। নিচের ছবিটি দেখুন। পোস্টটি করা হয়েছিলো নভেম্বর মাসে। ডিসেম্বর শেষ দিকে আসার পর গুগল টিউন টিকে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে নিয়ে আসে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ফলাফল মাত্র ৩০ দিনে

আপনি ভালোভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করলে ৩০-৬০ দিনের মধ্যে তার রেজাল্ট দেখতে পারবেন। উপরের ছবিটি আরো বিস্তারিত দেখলে আপনাদের ধারণা পরিষ্কার হবে।
  • কিওয়ার্ড নির্বাচন
সঠিক কিওয়ার্ড সিলেক্ট করা এবং তা অপ্টিমাইজ করাটা হলো আসল কাজ। ধরুন নিচের ছবিটি।
“পাখি পালন” নিয়ে যত মানুষ সার্চ করবে তারা ‘আমার কথা’ পোর্টাল পাবে গুগলের সার্চ পেইজের প্রথমেই।

  • কিওয়ার্ড  H1 হেডিং এ
আপনার টার্গেট কিওয়ার্ড অবশ্যই H1 হেডারে থাকতে হবে।

পুরো টিউন বা আর্টিকেলে মূল কিওয়ার্ড ২.৫% এর বেশি হওয়া যাবেনা। তাহলে কিওয়ার্ড স্পামিং হবে যা গুগল অপছন্দ করে।
কিওয়ার্ড নিয়ে চিন্তায় পড়ার কিছু নেই। আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট বানিয়ে থাকলে আপনি ‘Yoast SEO’ ব্যবহার করতে পারেন ।

  • কিওয়ার্ড মেটা ডেসক্রিপশন এ
মেটা ডেসক্রিপশন এ মূল কিওয়ার্ড রাখবেন। তবে তা যেন হয় ন্যাচারাল। কারন মেটা ডেসক্রিপশন দেখেই ভিজিটর আপনার সাইটে ক্লিক করবে।

  • Structured Data/Rich Snippet
স্ট্রাকচারড ডাটা বা রিচ কার্ড এর জন্যে ওয়ার্ডপ্রেস এসইও স্কিমা ব্যবহার করতে পারেন।

  • টিউন আপডেট
মনে রাখবেন আপনার টিউন যত আপডেট থাকবে ভিজিটর আপনার লিংক এ ততটাই ক্লিক করতে চাইবে বেশি।
কারন সবাই নতুন টিউন পছন্দ করে। আপনার ওয়েবসাইটের CTR বেড়ে যাবে দ্রুত।
পাখি পালন নিয়ে ৩ বছর আগের টিউন সার্চ র‍্যাঙ্কিং এ পিছিয়ে পড়বে কারন ৩ বছরের মধ্যে আর নতুন কোন পদ্ধতি এসে থাকলে তা সেই টিউন এ নেই।
গুগল সার্চ র‍্যাংকিং এর নতুন আপডেট হিসেবে ইতিমধ্যে গুগল বলেছে গুগল এখন র‍্যাঙ্ক ব্রেইন ব্যবহার করে সার্চ র‍্যাঙ্কিং দাড়া করায়।



Share:
Copyright © Dipta.info | Powered by Blogger Design by Dipta Chowdhury | Blogger Theme by Dipta.info